স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাতেই তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের সেই কলেজ ছাত্রী বাসের ভেতরে যারা তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছিল তাদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
.png)
রোববার দুপুরে তাকে ওই হাসপাতালের নারী ও শিশু সুরক্ষা কেন্দ্র ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
সকালে তরুণীকে দেখতে গিয়েছিলেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিমাংশু লাল রায়।
ডা. হিমাংশু জানান, বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার কারণে মেয়েটি রক্ষা পেয়েছে। আমি তার সাহসে মুগ্ধ। মেয়েটি আমাকে জানিয়েছে, বাসের ড্রাইভার তার চুল ও হাত ধরে যখন টেনে ধরেছিলেন তখনই সে বুদ্ধি করে জানালা দিয়ে লাফ দেন।
তিনি আরো জানান, মেয়েটি হাতে ও মাথায় আঘাত পেয়েছে। তবে আঘাত তেমন গুরুতর নয়। সকালে তার সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। সেখানে মারাত্মক কিছু পাওয়া যায়নি। এরপর দুপুরে তাকে ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। মানসিক কাউন্সিলিং ও নিরাপত্তার জন্য তাকে ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার রাতে ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা দিরাই থানায় অজ্ঞাতপরিচয় তিন জনকে আসামি করে মামলা করেন।
এ ঘটনায় রোববার দুপুর তিনটা পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার না হলেও জড়িত ব্যক্তিদের অল্প সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সুনামগঞ্জের এসপি মিজানুর রহমান।
শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ফাহাদ অ্যান্ড মাইশা পরিবহনের একটি বাসে দিরাই যাচ্ছিলেন মেয়েটি। পৌরসভার সুজানগর এলাকায় বাকি যাত্রীরা নেমে গেলে বাস ফাঁকা হয়ে যায়। এ সময় বাসের চালক ও হেলপার তাকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে দুই জন ধর্ষণের চেষ্টা চালালে আত্মরক্ষায় চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন মেয়েটি।