বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চট্টগ্রামের এসপি এসএম রশিদুল হক।
তিনি বলেন, ফয়েজীর কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইলে একাধিক নারীর সঙ্গে বিয়ে-বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া বেশকিছু চ্যাটিং পাওয়া গেছে। যাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। তবে তদন্তের স্বার্থে সেগুলো প্রকাশ করা যাবে না। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
.png)
এসপি আরো বলেন, হাটহাজারীর তাণ্ডবে যারা মাস্টারমাইন্ড ছিলেন, তাদের মধ্যে জাকারিয়া নোমান ফয়েজী একজন। তাদের অর্থের যোগানে ঘটনাগুলো সংঘটিত হয়েছে। প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।
অর্থের যোগানদাতা কারো পরিচয় পাওয়া গেছে কী না এমন প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন, অর্থের যোগানদাতা কারা সেটা তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে বের করার চেষ্টা করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
বুধবার বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকা থেকে জাকারিয়া নোমান ফয়েজীকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম জেলা ডিবি পুলিশ। হাটহাজারী থানার সহিংসতার তিনটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
২৬ মার্চ রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার জেরে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। ওই মিছিল থেকে প্রথমে হাটহাজারী থানায় এবং পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও ডাক বাংলোতে হামলা-ভাঙচুর চালান তারা।
এসব ঘটনায় ৩০ মার্চ রাতে হাটহাজারী থানায় ছয়টি মামলা হয়। পরে ২২ এপ্রিল হেফাজতের বিলুপ্ত কমিটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরীকে প্রধান আসামি করে আরো দুটিসহ মোট তিনটি মামলা হয়।