বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়ন্তী রানী রায়ের আদালতে এ জবানবন্দি দেন তিনি।
এর আগে, ৬ মে ফয়েজীর বিরুদ্ধে বিয়ের আশ্বাসে একাধিকবার ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগ এনে হাটহাজারী থানায় মামলাটি করেন ওই নারী।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম আদালতের জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক হুমায়ূন কবীর। তিনি জানান, সহিংসতার আরেক মামলায় রিমান্ডে থাকার পর আদালতে হাজির করা হলে বিয়ের আশ্বাসে এক নারীকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন ফয়েজী। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন- ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই নারীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারী নিয়ে আসেন। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকতেন। পরে ওই নারী যখন বুঝতে পারেন তাকে বিয়ে করবেন না, তখন তিনি চট্টগ্রাম শহরে চলে যান। সেখানেও তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফের ধর্ষণ করেন।
বুধবার (৫ মে) বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকা থেকে জাকারিয়া নোমান ফয়েজীকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম জেলা ডিবি পুলিশ। হাটহাজারী থানার সহিংসতার তিনটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরদিন বিকেলে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার (১১ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহম্মদ খন্দকারের আদালতে হাজির করা হলে সেখানে হাটহাজারীতে তাণ্ডবের ঘটনায় সম্পৃক্ততার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তিনি।
২৬ মার্চ রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার জেরে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। ওই মিছিল থেকে প্রথমে হাটহাজারী থানায় এবং পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও ডাক বাংলোতে হামলা-ভাঙচুর চালান তারা।
এসব ঘটনায় ৩০ মার্চ রাতে হাটহাজারী থানায় ছয়টি মামলা হয়। পরে ২২ এপ্রিল হেফাজতের বিলুপ্ত কমিটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরীকে প্রধান আসামি করে আরো দুটিসহ মোট তিনটি মামলা হয়।