ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

আড়াই বছর কঠিন পরিশ্রমের ফল পেল পিবিআই

বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৪০, ৫ জুন ২০২১
আড়াই বছর কঠিন পরিশ্রমের ফল পেল পিবিআই
বগুড়ায় শাহিন হত্যা মামলার আসামিরা

বগুড়ায় একটি হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের আড়াই বছর পর হত্যাকারীদের খুঁজে বের করেছে পিবিআই। শুক্রবার এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তার দেয়া তথ্যেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আরো তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কাহালুর খামারপাড়া এলাকার রিপন সরদার, নাটাইপাড়া এলাকার আবুল কালাম আজাদ ওরফে তারা মিয়া, সোহরাব হোসেন ও আনিসুর রহমান পাপন।

শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন পিবিআই বগুড়ার পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন।

Advertisement

তিনি জানান, কাহালু উপজেলায় ২০১৭ সালের ১১ জুন রাতে শাহিন নামে একজনকে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্ত্রী নূর বানু। দুই দফায় ওই মামলার তদন্ত করেন কাহালু থানার পরিদর্শক আনিসুর রহমান ও পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ হাসান। প্রায় দেড় বছর তদন্ত শেষে ওই মামলায় কোনো হত্যাকারী পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। পরে আদালত স্বেচ্ছায় মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয় পিবিআইকে।

পুলিশ সুপার জানান, দায়িত্ব পেয়ে তদন্ত শুরু করেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক আলমগীর হোসেন। তিনি বদলি হওয়ার পর এ মামলার তদন্ত ভার পান পিবিআইয়ের এসআই আকরাম হোসেন। আড়াই বছর তদন্ত শেষে চাঞ্চল্যকর ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, ২ জুন কাহালুর খামারপাড়া এলাকার রিপন সরদারকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়। পরে তিনি শাহিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আরো তিনজনের নাম বলেন। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদে রিপন জানান- শাহিন হত্যার দিন তারা পাঁচজন কাহালু উপজেলার একটি বাড়িতে চুরি করতে যান। ওই বাড়ির মালিক রিপনের মামা মো. আকতার ওরফে বুলু। ৯ বিঘা জমির লোভে বুলুকে বিপদে ফেলতে তার বাড়িতেই শাহিনকে হত্যা করা হয়।

বগুড়া পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন বলেন, ক্লু-লেস এ হত্যা মামলা তদন্ত করতে অনেক সময় লেগেছে। এটা পিবিআইয়ের একটা বড় অর্জন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ ও পিবিআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!