সম্প্রতি গাছগুলো কেটে ফেলেছে পল্লীবিদ্যুৎ। এতে আবার ভারসাম্য হারাতে বসেছে সেখানকার পরিবেশ। সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়ে সড়কটি পরিণত হয়েছে মরুভূমিতে। যা দেখে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
জানা গেছে, সরকারের দৃষ্টিনন্দন সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের মাধ্যমে নির্মাণ করা হয় হাসানহাটা-তালতলা সড়ক। পরবর্তীতে সড়কটি দৃষ্টিনন্দন করতে দুই ধারে তালগাছ রোপণ করা হয়। সেই থেকে তালগাছগুলো এ এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। এর কিছুদিন পর সরকারি সিদ্ধান্তে বজ্রপাত প্রতিরোধে আরো কিছু তালবীজ বপন করা হয় হাসানহাটা-তালতলা সড়কে।
.png)
স্থানীয়রা জানায়, তালগাছগুলো থাকায় আশপাশের এলাকার মানুষ এখানে ছায়ায় সময় কাটাতে আসত। এছাড়া অনেক পাখি আসত। এখন গাছগুলো কেটে ফেলায় এলাকার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন হাসানহাটা-তালতলা সড়ক পরিণত হয়েছে মরুভূমিতে।
ডাংগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাবের উল হাই জানান, পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ কাউকে না জানিয়ে গাছগুলো কেটে ফেলেছে। এলাকার গণ্যমান্যরা বারবার অনুরোধ করলেও তারা শোনেনি।
পলাশ উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা সৈয়দ আমীরুল ইসলাম জানান, যেকোনো গাছ কাটতে হলে উপজেলা প্রশাসনকে বাধ্যতামূলক জানাতে হয়। কিন্তু পল্লীবিদ্যুৎ তা না করে কর্তৃপক্ষ ইচ্ছেমতো যত্রতত্র গাছ কেটেছে।
পল্লীবিদ্যুতের ঘোড়াশাল জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক শাহাদাত হোসেন জানান, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে গাছগুলো কাটা হয়েছে।