স্থানীয় কৃষকরা জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে ৪০-৫০টির বন্য হাতির পাল খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে নেমে আসে। এ সময় উপজেলার সীমান্তবর্তী আন্ধারুপাড়া গ্রামে পাহাড়ি গোপে তৈরিকৃত বীজ তলায় তাণ্ডব চালিয়ে কৃষক ট্রাইবাল চেয়ারম্যান মি. লুইস নেংমিনজার ৮০ কেজি, এন্দ্রোস রাকসামের ১৫ কেজি, জনমাংসাং এর ১০ কেজি, হাসমত আলীর ২৫ কেজি, আনোয়ার হোসেনের ১০কেজি, অজিত সাংমার ১৫ কেজি, জন ম্রং এর ২০ কেজি, মেজেস সাংমার ১০ কেজি ও আশিন্দ্র ম্রং এর ১০ কেজি ধানের বীজতলা খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে বিনষ্ট করে।
.png)
আর অল্প কয়েকদিন পরেই কৃষকরা আমন ধানের চারা তাদের জমিতে রোপণ করবেন। ঠিক এমন সময়ে বন্য হাতির তাণ্ডব চালিয়ে বীজতলা নষ্ট করায় কৃষকের পড়েছে মাথায় হাত। এখন নতুন করে বীজতলা তৈরি করে আমন আবাদ সম্ভব নয় বলে কৃষকরা জানান।
নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর কবির বলেন, সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নতুন করে বীজতলা তৈরির জন্য সহযোগীতা করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন প্রকল্পের প্রদর্শনী প্রদানের মাধ্যমে কৃষকের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করা হবে বলেও এই কৃষি কর্মকর্তা জানান।