কৈতক হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক মো. সাইদুর রহমানের পরামর্শে দুজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের সাতগাঁও গ্রামের অটো রিকশাচালক জাহাঙ্গীর আলমের দুই শিশু ছেলে হাসান মিয়া (৮) ও আবু সুফিয়ান (৬)কে খৎনা করানোর জন্য (২৩ আগস্ট) ছাতকের কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে আসেন তাদের মা তাহেরুন্নেছা।
.png)
এসময় হাসপাতালের ইমার্জেন্সি কক্ষের সামনে থাকা আব্দুর রহমান নামক এক ব্যক্তি নিজেকে ডাক্তার পরিচয়ে এসব খৎনা তিনিই করে থাকেন বলে তাহেরুন্নেছাকে জানান। এসময় শিশুদের নিয়ে স্থানীয় কামারগাঁও বাজারে তার চেম্বারে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেয় আব্দুর রহমান।
গত ২৪ আগস্ট দুই শিশুকে নিয়ে কামারগাঁও বাজারে এক ফার্মেসির কথিত চেম্বারে যান মা তাহেরুন্নেছা। সেখানে আব্দুর রহমান শিশুদের খৎনা করিয়ে তার বিনিময়ে শিশুদের মা তাহেরুন্নেছার কাছ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা ফি হিসেবে হাতিয়ে নেয়।
ঘটনার পরের দিন থেকেই খৎনা স্থানে প্রচণ্ড ব্যথা ও জ্বালা-যন্ত্রণা শুরু হয়। এক পর্যায়ে খৎনাস্থান ফুলে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে রবিবার তাদের কৈতক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
স্থানীয়রা জানান, চিকিৎসক বা কোনো ধরনের নিয়োগ ছাড়াই হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে অবস্থান করে রোগীদের সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণা করে আসছে আব্দুর রহমান।
এ ব্যাপারে আব্দুর রহমান জানান, অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এ কাজ করেছেন। ওষুধ খেলেই সমস্যা সেরে যাবে।
কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সাইদুর রহমান জানান, এ ঘটনাটি হাসপাতালে ঘটেনি। বর্তমানে রোগীর অবস্থা ভালো নয়। যে কারণে তিনি তাদের সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।