জানা গেছে, ওই উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের পলিখিয়ার মামুদপুর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যুৎ তার স্ত্রী জেসমিন আরাকে প্রায়ই মারধর করতো। গত ২৩ আগস্ট বিকেলেও জেসমিনকে মারধর করে সে, তার দুই ভাই পলাশ ও আকাশ এবং পলাশের স্ত্রী শিউলী বেগম। এতে অতিষ্ঠ হয়ে জেসমিন আরা নিজ ঘরে কীটনাশক পান করেন। পরবর্তীতে স্বামীর বাড়ির লোকজন তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ আগস্ট ভোরে জেসমিনের মৃত্যু হয়। ওই দিনই স্বামী বিদ্যুৎ ও তার পরিবার কৌশলে হাসপাতাল থেকে লাশ এনে গোপনে দাফন করে।
বিরামপুর থানার ওসি সুমন কুমার মহন্ত জানান, ওই ঘটনায় গ্রাম পুলিশ হামিদুর রহমান আত্মহত্যার প্ররোচনা ও আলামত নষ্টের অভিযোগে ২৬ আগস্ট বিদ্যুৎ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে নিহতের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যুতকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
.png)
তিনি আরো জানান, আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার কবর থেকে জেসমিনের লাশ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। লাশ তোলার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার, সিনিয়র এএসপি ওয়াহেদুননবী, পরিদর্শক (তদন্ত) মতিয়ার রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।