একাধিক এলাকাবাসী বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাতাসের সঙ্গে দোলা খেত কাশফুল। বাতাশের সঙ্গে মিতালী করে স্বাগত জানাত শরতকে। এ আকর্ষণীয় ও দর্শনীয় স্থানটিতে প্রতিদিন সমাগম ঘটত শত শত নারী পুরুষের। অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে আসতেন এ দর্শনীয় স্থানে। ছবি তুলে অনেকেই আপলোড করতেন ফেসবুকে। কেউ করতেন লাইভ। আবার টিকটক করতেন অনেকেই।
অশ্লীলতার অভিযোগে শুক্রবার রাতের দেওয়া আগুনে নিমিষেই মিশে গেল এ দর্শনীয় দৃশ্যটি।
.png)
এলাকাবাসী বলছেন, টিকটকের নামে এখানে অনেকে বেহায়াপনা করত। উচ্চ সুরে গান করে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করতে। ছেলেমেয়েরা নৃত্য করত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাশবনের সৌন্দর্য দেখার নামে কিছু লোকজন এখানে অশ্লীলতা সৃষ্টি করে। এদিকে বেশ কয়েকবার মারামারির ঘটনা ঘটেছে এখানে। যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে পারে। এজন্য কাশবনে আগুন দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. গোলাম কবির বলেন, যেহেতু এটি ব্যক্তি মালিকানাধীন। তাই এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।