শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ত্রিশাল থানার ওসি মাইন উদ্দিন।
ওসি জানান, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ফজলুল হক, স্ত্রী ফাতেমা বেগম, দুই শিশুসন্তান ছেলে আবদুল্লাহ ও মেয়ে আকমিনা মারা যায় ঘটনাস্থলেই। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায়।
.png)
বাকি নিহতরা হলেন শেরপুরের নকলা উপজেলার নজরুল আরেকজন মিরাজ। এছাড়া সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার নিশিন্দা এলাকার হেলেনা আক্তার।
তিনি আরও জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহগামী দুইটি বাস পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল। এদিকে চেলেরঘাট এলাকায় একটি ড্রাম ট্রাক দাঁড়ানো ছিল। পাল্লা দিয়ে চলা দুটি বাসের মধ্যে একটি বাস ট্রাকটির পাশ দিয়ে চলে গেলেও শেরপুরের শ্যাপার এম এ রহিম পরিবহনের বাসটির পেছনের অংশ ট্রাকটির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটির পেছনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। মমেক হাসপাতালে আহত অবস্থায় বর্তমানে ১১ জন ভর্তি রয়েছেন। যাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঘটনার পর থেকে চালক পলাতক থাকলেও তাকে ধরতে অভিযান চলছে বলে জানান ওসি।