রোববার ভোরে হোয়াইক্যং ইউপি জীম্বংখালী সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিচয় জানা যায়নি। আহত বিজিবি সদস্যরা হলেন ২ ব্যাটালিয়নের নায়েক সাজদার রহমান ও লেন্স নায়েক মোস্তফা আলী।
রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ২ বিজিবি ভারপ্রাপ্ত উপ অধিনায়ক ও উপ পরিচালক।
.png)
২ বিজিবি অধিনায়ক জানান, রোববার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ান সদর এবং জীম্বংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহলদল নাফ নদীর তীরে অবস্থান নেয়। ভোরে তিনজনকে শূন্য লাইন অতিক্রম করে নৌকায় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে। টহলদল দেখা মাত্র তাদের চ্যালেঞ্জ করলে সশস্ত্র ইয়াবা ব্যবসায়ীরা বিজিবি টহলদলের ওপর গুলি করে। এতে বিজিবি দুই সদস্য আহত হন। এ সময় বিজিবি টহলদল জান-মাল রক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। এ সময় দুইজন ইয়াবা ব্যবসায়ী সাঁতার দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায় এবং অপর একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে বিছিন্ন হয়ে পড়ে। গোলাগুলি থামার পর ঘটনাস্থল তল্লাশি চালিয়ে নাফ নদীর কিনারা থেকে দুটি প্লাস্টিকের ব্যাগ, একটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি কার্তুজের খালি খোসাসহ একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত বিজিবি দুই সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। পরে উদ্ধার ব্যাগ থেকে ৩ কোটি টাকার ১ লাখ ইয়াবা পাওয়া যায়। নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরো জানান, সরকারি কর্তব্য পালনে বাধা প্রদান ও অবৈধ মাদক পাচারের দায়ে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।