গ্রেফতারকৃত জুয়েল জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
বুধবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ।
.png)
এম তানভীর জানান, ২০১৪ সালে জুয়েল ও কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল হত্যা মামলার প্রধান আসামির সঙ্গে জেলখানায় বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। ২২ নভেম্বর কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহাকে হত্যার পরের দিন শাহআলম নাঙ্গলকোটের গান্দাচি গ্রামে জুয়েলের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। ওইদিন রাতেই শাহআলম জুয়েলকে অস্ত্রগুলো নিরাপদে রাখতে বলে। একদিন থাকার পর ২৪ নভেম্বর অস্ত্রগুলো রেখে পালিয়ে যায় শাহআলম। ৩০ নভেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়েলের বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশের একটি টিম। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সেভেন পয়েন্ট সিক্স ফাইভ বিদেশি পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলবার, দুটি পিস্তলের ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় বাদী হয়ে শাহআলম ও জুয়েলকে আসামি করে নাঙ্গলকোট থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেছেন কুমিল্লা ডিবি পুলিশের এসআই পরিমল দাস।
এম তানভীর আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল স্বীকার করেছে এগুলো কাউন্সিলর সোহেল হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র। আমরা অধিকতর নিশ্চিত হওয়ার জন্য যাচাই-বাছাই করবো। অপর আসামি শাহআলমকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার বাদী এসআই পরিমল দাস জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।