শরীয়তপুরের ৩ দিনব্যাপী এবারের ইজতেমা সদর উপজেলার পালং ইউপির ভুচুরা কানার বাজার এলাকায় ১০ একর জায়গায় আয়োজন করা হয়েছে।
ইজতেমায় অংশগ্রহণের জন্য শরীয়তপুর জেলা ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে মুসল্লিরা ময়দানে এসে সমবেত হচ্ছে।
.png)
দেশীয় জামাতসহ (নাইজেরিয়া ও শ্রীলংকা) ২টি বিদেশি জামাত এবং ১টি বাকপ্রতিবন্ধীদের জামাত অংশগ্রহণ করেছে শরিয়তপুরের এ ইজতেমায়। তবে আজ বুধবার সকাল থেকে ইজতেমা ময়দানে লোক সমাগম বাড়তে থাকে।
আগামী শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ৩ দিনব্যাপী এ ইজতেমা।
শরীয়তপুর জেলার এ ইজতেমার জিম্মাদারের দায়িত্বে থাকা মুরব্বি নুরুজ্জামান ব্যাপারী ও প্রফেসর মিজানুর রহমান জানান, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা তাবলিগের মুরব্বিরা ৩ দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমায় গুরুত্বপূর্ণ দ্বীন ও ঈমানি বয়ান পেশ করবেন। এছাড়া ঢাকা কেন্দ্রীয় তাবলিক কাকরাইল মার্কাজ মসজিদ থেকে হজরত মাওলানা বোরহান উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি জামাত এসেছেন ইজতেমা পরিচালনার জন্য।
পালং ইউপির ভুচুরা কানার বাজার এলাকার ব্যক্তি মালিকানা প্রায় ১০ একর জায়গা জুড়ে জেলা ইজতেমার মাঠ ও অবকাঠামো তৈরিতে গত ১০ দিন যাবত শতাধিক মানুষের স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেন।
ইজতেমা মাঠের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে পালং মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আক্তার হোসেন বলেন, আগামীকাল ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে তিনদিন ব্যাপী ইজতেমা। ইজতেমাকে সফল করতে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। এরইমধ্যে ইজতেমায় দুইপর্ব বিশিষ্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাসার ইউপির আড়িগাঁও ২০১৬ সালের ১১-১৩ ফেব্রুয়ারি, আংগারিয়া বাইপাস সড়কের দক্ষিণ পাশের পরসদ্দি এলাকায় ২০১৮ সালের ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি ও বুড়ির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের মাঠে ২০১৯ সালের ৭-৯ নভেম্বর তিন দিন করে ইজতেমার অনুষ্ঠিত হয়েছিল।