শনিবার বিকেলে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আব্দুর রউফ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃত তারা মিয়া সুনামগঞ্জের জরজরিয়া গ্রামের রবিউল্লাহর ছেলে ও মুনীর হেসেন একই জেলার ইসলামপুরের উত্তরপাড়া গ্রামের আলী আকবরের ছেলে।
.png)
পুলিশ জানায়, গত ৮ ডিসেম্বর সকালে রেনুকা খাতুন ও ফারজানা শিলা আক্তার নামে দুই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়। রেনুকা গাইবান্ধা সদরের বাদিয়াখালী ইউনিয়নের চকবরুল গ্রামের ইসহাক আলীর মেয়ে ও পলাশবাড়ীর তালুকজামিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। অপরজন ফারজানা আক্তার শিলা একই এলাকার আজিজুল ইসলামের মেয়ে এবং পলাশবাড়ীর ভেলাকোপার সূর্যবিদ্যা নিকেতন স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। তারা দুজন একে অপরের বান্ধবী।
মাস তিনেক আগে ফারজানা আক্তার শিলার সঙ্গে অপরিচিত নম্বরে কথা হয় মুনীর হোসেনের। এর সূত্র ধরে শিলার বান্ধবী রেনুকার সঙ্গে মুনীর হোসনের বন্ধু তারা মিয়ার কথা হয়। একপর্যায়ে গত ৮ ডিসেম্বর তারা দুজন বাদিয়াখালী থেকে নিখোঁজ হয়। এর পরদিন ৯ ডিসেম্বর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি এবং রেনুকার চাচা বাদী হয়ে একটি অপহরণ মামলা করেন।
পরে পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ঢাকার যাত্রবাড়ী থেকে ১০ ডিসেম্বর বিকেল তিনটার দিকে অপহৃত রেনুকাকে উদ্ধারসহ তারা মিয়াকে গ্রেফতার করে এবং রাত ২টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম থেকে শিলা আক্তারকে উদ্ধার ও মুনীর হোসেনকে গ্রেফতার করে।
ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতারদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।