অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ক্ষুদে শিক্ষার্থী তুলির বিয়ে হয়েছিল। কিছুদিন পরেই বিয়ে ভেঙে যায়। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে বাল্যবিয়ে চরম অপরাধ, তাই ওই সময় কাবিন হয়নি। এমনকি বিয়ের কোনো প্রমাণও নেই। কোনোদিন স্বামীর সংসারও করেনি। স্বামীর পক্ষেরও কোনো অভিযোগ নেই। তারপরেও শেষ রক্ষা হয়নি। বাল্যবিয়ের অভিশাপে দুইবার পাস করেও পুলিশে তার চাকরি হয়নি তার।
২০১৫ সালের ৭ নভেম্বর এবং ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষায় তৈয়বুন্নেছা তুলি উত্তীর্ণ হয়ে নারী কনস্টেবল পদে চূড়ান্ত হয়। কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশনে শিক্ষার্থী তৈয়বুন্নেছা তুলি বিবাহিত বলে বরগুনা পুলিশ সুপারের নিকট তথ্য দেওয়ায় তার আর চাকরি হয়নি।
.png)
তুলির বাবা তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, তার মেয়ের ইচ্ছে পুলিশে চাকরি করবেন। কিন্তু আইনি জটিলতায় চাকরি হয়নি। এবার এসআই পদে আবেদন করে তার মেয়ে পুলিশের কর্মকর্তা হতে চায়।
তৈয়বুন্নেছা তুলি বলেন, সরকার চাইলে সব কিছুই পারেন। একজন মুক্তিযোদ্ধার নাতনি হিসেবে দেশের সেবা ও আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণের জন্য চাকরি পেতে চাই।