রোববার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সরোয়ার জাহানের আদালতে মামলাটি করেন তৌহিদুল ইসলাম।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউপির চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দত্ত, একই ইউপির আট নম্বর ওয়ার্ডের বড়দুয়ারা এলাকার মকবুল আহমদের ছেলে সোলেমান বাঁশি ও চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউপির হাছনদণ্ডী পোয়া ফকিরের বাড়ির নুর আহমদের ছেলে নাজিম উদ্দিন ওরফে কোয়েল নাজিম।
.png)
মামলার বাদীর আইনজীবী অহিদুল আলম বলেন, চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার নারাজি দিতে আসা মামলার সাক্ষী ও ভুক্তভোগী তৌহিদুল ইসলামকে আদালত চত্বরে মারধরের ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালি থানাকে এজাহার হিসেবে লিপিবদ্ধ করার আদেশ দেয় আদালত।
জানা গেছে, ২০১৯ সালের ২০ আগস্ট ইউপি চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দত্তের নেতৃত্বে আবু সুফিয়ান চৌধুরী ও তৌহিদুল ইসলামের ওপর হামলা চালান কয়েকজন। ওই ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে সাতকানিয়া থানায় মামলা করেন আবু সুফিয়ান। মামলাটির তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
সে সময় তৌহিদ ঢাকায় চিকিৎসা নিলেও সেখান থেকে কোনো ধরনের নথি সংগ্রহ না করায় ১৪ ডিসেম্বর ধার্য তারিখে আদালতে হাজির হয়ে নারাজি দাখিল করেন আবু সুফিয়ান ও তৌহিদুল ইসলাম। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কৌশিক আহাম্মদ খন্দকারের আদালতে মামলার শুনানি শেষে চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে পৌঁছালে তৌহিদকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। ওই সময় উপস্থিত আইনজীবীদের হস্তক্ষেপে তারা ব্যর্থ হন। পরে টানাহেঁচড়ায় আহত তৌহিদুল ইসলাম চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।