নিহত আবদুল আউয়াল বাকের ঐ উপজেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন পরাগলপুরের মো. আলমগীর হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
স্থানীয় আবদুল কাদের জিলানী জানান, সোমবার রাত ৯টা ২ মিনিটে আবদুল আউয়াল বাকের তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন- ‘রাত ১২ টার সময় কিছু একটা করে ফেলব ইনশাল্লাহ’ এবং রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আরেকটি স্ট্যাটাস দেন- ‘আর ১০ মিনিট পর একজনকে শান্তি করে সব ছেড়ে চলে যাবো না ফেরার দেশে, ভালো থেকো প্রিয়’। ভোরে তার মা ফজরের নামাজের জন্য ডাকতে ঙ্গিয়ে দেখেন ছেলে সিলিংয়ে ঝুলছে।
.png)
মঙ্গলবার সকালে তার বন্ধুরা জানায়- সোমবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামে গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে দেখা করতে যায় আবদুল আউয়াল বাকের। ঐ সময় তাকে স্থানীয় এক যুবক শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। সেই ঘটনা ও গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে অভিমান করেই সে আত্মহত্যা করতে পারে।
জোরারগঞ্জ থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। কী কারণে সে আত্মহত্যা করেছে তা খতিয়ে দেখছি। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।