এ সময় অন্তত ৫টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনায় আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে উত্তর জাঙ্গাল গ্রামে করব স্থানের পাশে রাস্তা দেয়াকে কেন্দ্র করে সাধুর বাড়ির গোষ্ঠীর সাইফুলের সঙ্গে তার চাচাত ভাই ইব্রাহিমের কথা কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়। পরে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন লোক আহত হয়। পরে ঘটনার খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। তাদেরকে সেখানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
.png)

আহতরা হলেন, মামুন, মাইন উদ্দিন, রেখা, কাউছার, আরিফ ও আব্দুর রহমান।
জাঙ্গাল গ্রামের হানিফ মিয়া বলেন, কবর স্থানে জায়গা নিয়ে দুই ভাইয়ের সমস্যা চলছিল। গতকাল রাতে স্থানীয় মুরুব্বিদের দিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও তাদেরকে মানানো যায়নি। আজ সকালে দুপক্ষের লোকজন দুইদলে বিভক্ত হয়ে মারামারি করেছেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় অন্তত ৫টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকার বাসিন্দা ও সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন রানা বলেন, একই বাড়ির সাইফুল ও ইব্রাহিম পারিবারিক কবরস্থানের পাশে রাস্তা দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষের সঙ্গে সঙ্গ পুলিশকে বিষয়টি জানাই। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে গ্রাম থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মুহাম্মদ এমরানুল ইসলাম জানান, করবস্থানে পাশে জায়গা দেয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র রাম দা, টেটা, কুচ, বল্লম উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।