বগুড়া সদর থানার এসআই জাকির আল আহসান জানান, বুধবার বিকেলে তাকে ব্যাংক থেকে গ্রেফতার করে বগুড়ায় আনা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রেজওয়ানুল ইসলাম বগুড়ার নিশিন্দারা উপশহরের এমিকাস বিল্ডিং, সাফাত ভিলার মোহাম্মদ আলী জোয়ারদারের ছেলে। তিনি ২০১৫ সাল পর্যন্ত বগুড়ায় জনতা ব্যাংকের শাখায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি একই ব্যাংকের কুড়িগ্রাম কর্পোরেট শাখায় কর্মরত।
.png)
অভিযোগ আছে, তিনি ২০১৮ সালে সুমন মিয়া নামে একজনকে বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার নামে তিন লাখ টাকা নেন। নামুজা কলেজের শিক্ষক আবদুর রউফের শ্যালক রাহু মিয়াকে ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার নামে চার লাখ টাকা নেন। এভাবে তিনি ২০২০ সাল পর্যন্ত অন্তত ২০ জনকে চাকরি দেওয়ার নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন। তিনি বগুড়া থেকে বদলি নিয়ে বিভিন্ন জেলায় চাকরি করেছেন।
এসআই জাকির আল আহসান জানান, বগুড়া সদর থানার ঐ ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চারটি প্রতারণার মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে। অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বুধবার বিকালে তাকে জনতা ব্যাংক কুড়িগ্রাম করপোরেট শাখা থেকে গ্রেফতার করা হয়।