গত মঙ্গলবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ এলাকায় সাধারণের মাঝে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। শিক্ষকের এমন কথোপকথনে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে শুরু করে অভিভাবকরা। সহকারী প্রধান শিক্ষকের এমন মনোভাবে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
আরো পড়ুন >>> স্কুলে যাওয়ার পথে সড়কে ঝরল চাচা-ভাতিজার প্রাণ
.png)
জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক হাজী লাল মামুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর সঙ্গে সহকারী প্রধান শিক্ষক শাহীনুল ইসলামের ফোনালাপ ভাইরাল করে কে বা কারা। ফোনালাপকালে ঐ শিক্ষক ছাত্রীকে কুরুচিপূর্ণ নানা ইঙ্গিত প্রধান করেন। শিক্ষকের এমন কথোপকথনে ছাত্রী এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি বার বার অশালীন কথার মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন।
আরো পড়ুন >>> স্ত্রীর মৃত্যুশোক না কাটতেই স্বামীকে রাখা হলো পাশের কবরে
প্রভাষক দুলাল মিয়া বলেন, একজন ভালো শিক্ষকের শিক্ষাই একজন ভালো ছাত্র তৈরি হয়। কিন্তু হাজী লাল মামুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক যে ভাষায় একজন বাচ্চা মেয়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছেন তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক।
সহকারী শিক্ষক শিক্ষকের এমন কাণ্ডে শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও স্থানীয়রা। মঙ্গলবার বিকেলে স্কুলের সামনে মানববন্ধনে আয়োজন করেন তারা। এ সময় তারা দ্রুত এ শিক্ষককে অপসারণ না করা হলে আন্দোলনের ডাক দেয়া হুঁশিয়ারী দিয়েছেন অভিভাবক মহল।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহোরাব উদ্দিন বলেন, রেকর্ডটি সহকারী প্রধান শিক্ষকের কি না তা তদন্ত করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) তামিম আল ইয়ামীন বলেন, বিষয়টি জানি না, তবে সকালে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।