রোববার (২৩ জানুয়ারি) রাতে নাসির শ্বশুরবাড়ি আসেন। তবে সোমবার সকালেই ঘর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাসির বিশ্বাস কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের কাথুলীয়া গ্রামের সাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান ছিলেন।
.png)
জানা গেছে, কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়ার শওকত আলীর মেয়ে সুমাইয়ার সঙ্গে চার বছর আগে বিয়ে হয় নাসিরের। সুমাইয়ার এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। তার প্রথম স্বামী ঘরে একটি পুত্র সন্তান রেখে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে নাসিরের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিবাহ হয় সুমাইয়ার।
নিহত নাসিরের বাবা ও ভাই জানান, সুমাইয়া ঢাকায় চাকরি করতে যান প্রায় দেড় বছর আগে। তবে সম্প্রতি চাকরি ছেড়ে দিয়ে একবারে চলে আসেন গ্রামে। এরপর থেকেই সুমাইয়া পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে মাঝে মধ্যেই বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হতো নাসিরের সঙ্গে। এরই জেরে নাসিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। তারা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আরো পড়ুন: ইটভাটার পাশে পড়ে ছিল বৃদ্ধার লাশ
তবে সুমাইয়ার বাবা শওকত আলী এ নিয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, সোমবার ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে চলে যান তিনি। পরে বাড়িতে ফিরেই নাসিরের মরদেহ দেখতে পান।
পুলিশ বলছে, মামলা হলে আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল ইসলাম।