বুধবার বিকেলে বরগুনা সদর উপজেলার খেজুরতলা সড়কের মুক্তিযোদ্ধা পল্লী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই এলাকায় আতংক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় আহত অন্যান্যরা বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আহত ১০ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন দক্ষিণ খাজুরতলা এলাকার লিয়া, নাসির, চরকলোনির মহিউদ্দিন, আরিফ , কুমরাখালির নাজমা, মাইনুল, বরইতলার শিমু, সুমাইয়া, লাকুরতলার মরিয়ম বেগম, টাউনহলের আফরোজা। বাকিরা বরগুনা শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
.png)

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খেজুরতলা সড়কের মুক্তিযোদ্ধা পল্লী এলাকায় সড়কের পাশে একটি তেঁতুল গাছে মৌচাকের মৌমাছি হঠাৎ করে ওই সড়কের পথচারীদের ব্যাপকভাবে আক্রমণ করা শুরু করে। এতে নারী-শিশু ও শ্রমিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, খেজুরতলা এলাকার সুমন ও বারেক নামের দুইজন বাড়ির সামনে সড়কের পাশের তেতুল গাছে বাধা ওই মৌচাকের দাবি করায় তাদের মধ্যে দ্বন্দ চলছে। এই সুযোগে স্থানীয় হাবিবের ছেলে আব্দুল্লাহসহ এলাকার একাধিক বখাটে প্রায়ই ওই মৌচাকে ঢিল ছুড়ে। এতে করর এনিয়ে একাধিকবার পথচারীরা মৌমাছির কামড়ে আহত হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিতক করে সুমন ও বারেক বলেন, বাড়ির সামনে সড়কের পাশে সরকারি জমিতে একটি তেঁতুল গাছে মৌমাছিরা চাক বেঁধেছে। চাকটি কাটা নিয়ে আমাদের মধ্যে নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। যার সুযোগে এলাকার বখাটেরা অজান্তে ঢিল ছুঁড়ছে। ফলে না জেনে পথ চলতে গিয়ে পথচারীরা মৌমাছির কামড়ে প্রায়ই আহত হচ্ছে।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মনোয়ারা বেগম প্রভা বলেন, মৌমাছির কামড়ে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।