রোববার সকাল খালের রিকাবীবাজার অংশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়। অভিযান দুপুর পর্যন্ত শতাধিক বসতঘর ও দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ অভিযান আরো দুইদিন চলবে বলে নিশ্চত করেছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসিব সরকার।
স্থানীরা জানান, ২০০ বছরের প্রাচীন এ খালটিতে একসময় বড় বড় নৌযান চলতো। নৌকায় করে কমলাঘাট বন্দর ও রিকাবীবাজারের ব্যবসায়ী ও পাইকারদের মালামাল আনা নেয়া করতো। অতি গুরুত্বপূর্ণ এ খালটি বেদখল হয় এবং ময়লা আবর্জনার ভাগাড় হয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।
.png)
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিব সরকার জানান, ১ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খাল খনন ও ওয়ার্ক ওয়ে নির্মাণ করা হবে। খালের দুই পাড়ে ৩০ ফুট এলাকা জুড়ে যে অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে, সে সব উচ্ছেদ করে ইছামতি অবমুক্ত করা হবে। এছাড়া এর পাশের সরকারি খাস জায়গা দখল করে যেসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে, সেসব স্থাপনাও ভেঙে দিয়ে দখল মুক্ত করা হবে।