উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালার প্রভাবে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেওয়া হয়েছে। এ জন্য জাহাজ চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা প্রশাসন। সেই সঙ্গে দুর্ঘটনা এড়াতে দ্বীপে আটকে পড়া পর্যটকদের সৈকতে নামতে নিষেধ করে মাইকিং করা হয়েছে।
টেকনাফের ইউএনও পারভেজ চৌধুরী জানান, সমুদ্র উত্তাল থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে টেকনাফ থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিনে যেতে দেওয়া হয়নি। যেসব পর্যটক টিকিট কেটেছিলেন তাদের টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্বীপে অবস্থানকারী পর্যটকরা যেন হয়রানির শিকার না হন সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তদারকি করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সৈকতে পর্যটকদের নামতে নিষেধ করা হয়েছে।
.png)
তিনি আরো জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত তুলে নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ফের জাহাজ চলাচল শুরু হবে।
জাহাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কক্সবাজার-টেকনাফ দমদমিয়া ঘাট থেকে প্রতিদিন ৯টি জাহাজে পাঁচ হাজারের অধিক পর্যটক সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যান। ৭টি জাহাজ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন, একটি কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন এবং আরেকটি চট্টগ্রাম-সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচল করে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের ট্রাফিক সুপারভাইজার জহির উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ফের জাহাজ চলাচল শুরু হবে।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, দ্বীপে বেড়াতে এসে আটকা পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে যেন অতিরিক্ত ভাড়া না নেয়া হয়- সেজন্য হোটেল মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৈরী আবহাওয়ায় কোনো পর্যটক যেন সমুদ্রে না নামেন- সে বিষয়ে সতর্ক রয়েছেন বিচকর্মীরা।