বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
এসপি বলেন, দুর্ঘটনার পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের দাবি জানান নিহতের স্বজনরা। যদিও এর জন্য আমাদের কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এজন্য আমরা তাদের সময় দিয়েছিলাম। যাতে এডিএম বরাবর আবেদন করে অনুমতিপত্র নিয়ে আসতে পারেন। আমরা তাদের জন্য দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। যখন তারা অনুমতিপত্র আনতে ব্যর্থ হন তখন আমরা ময়নাতদন্তের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তবে এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের বারবার যোগাযোগ হয়েছে। আইনি যে প্রক্রিয়া তা আমাদের অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।
.png)
তিনি আরো বলেন, এরমধ্যেই পুলিশ যখন উঘারিয়া তদন্ত কেন্দ্র থেকে যখন মরদেহগুলো নিয়ে রওনা হয় তখন সামনের চিতোষী পূর্ব বাজারে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে একটি দল ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে আমাদের দুজন পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হয়। তখনই উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে শটগানের ১৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ।
এসপি মো. মিলন মাহমুদ বলেন, লাশের পোস্টমর্টেমের কাজ চলছে। ময়নাতদন্ত শেষ হলেই লাশ তাদের আত্মীয়-স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) সুদীপ্ত রায়, সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, ডিআইও ওয়ান মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা।
মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টার দিকে শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব নরহ গ্রামের মোল্লারটেক এলাকায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে পাঁচজন নিহত হন। বুধবার নিহতদের মধ্যে তিনজনের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিতে এসেছিলেন স্বজনরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।