ওই কিশোরীর নাম জয়া বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ। তবে কীভাবে এই কিশোরী দুর্গাপুরে এসেছে এবং তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
জানা যায়, সকালে স্থানীয় কয়েকজন ব্যস্ততম বিরিশিরি ব্রিজের ওপরে হঠাৎ একটি কিশোরীকে হাঁটাহাঁটি করতে দেখেন। হঠাৎ কোনো কিছু বোঝার আগেই ওই কিশোরি ব্রিজ থেকে লাফিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত ব্রিজের নিচে ছুটে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঐ কিশোরীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
.png)
ঘটনাস্থলের ভিডিও ধারণ করতে গেলে কথিত ফাতেমা বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে সংবাদকর্মী। এক পর্যায়ে সংবাদকর্মীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালান ফাতেমা বাহিনীর প্রধান ফাতেমা আক্তারের বড় মেয়ে।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ব্রিজ থেকে লাফিয়ে পড়ার কারণে ডান হাতের ওপরে এবং কোমড়ে মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হতে পারে।
এ দিকে আরেকটি ভিডিওতে স্থানীয়দের সঙ্গে ওই কিশোরীর কথোপকথনে জানিয়েছেন তিনি ঢাকা থেকে ফাতেমার কাছে আসছিলেন। তবে কেনো আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এ ব্যাপারে কিছুই বলেননি।
দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম জানান, কিশোরীর প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছি। এই কিশোরী একেক সময় একেক পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করছে। তবে কি কারণে এ আত্মহত্যার চেষ্টা এ ব্যাপারে কোনো কিছুই এখনো জানা যায়নি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে ১৭ তারিখ ঢাকা থেকে কাজের কথা বলে দুর্গাপুর এনে স্থানীয় ফাতেমা আক্তারের বাসায় আটকে রেখে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ তুলেছেন বিথী নামে আরেক কিশোরী। ওই কিশোরী ফাতেমা আক্তারের বাড়ি থেকে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে পৌর শহরে অনৈতিক কাজের আস্তানা খুলে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে কথিত ফাতেমা আক্তার। স্থানীয় এই নিয়ে আন্দোলন মানববন্ধন করেও কোনো প্রতিকার হয়নি।