গ্রেফতারকৃতরা হলেন-জাকির ও তার ছেলে সবুর, বেয়াই রুহুল আমিনসহ পার্শ্ববর্তী আক্কেলপুর থানার বিহারপুর গ্রামের তাঞ্জিল।
পুলিশের দাবি, জাকির হোসেন একজন কুখ্যাত গরুচোর। এ কাজে জাকির হোসেনের পরিবারের সবাই জড়িত। তারা সবাই মিলে রাতের বেলায় গরু-ছাগল চুরি করে আনার পর সেগুলো বাড়ির গোয়ালঘরে রাখতেন। পরে দূরদূরান্তের হাটবাজারে চোরাই গরু-ছাগলগুলো বিক্রি করতেন। বিক্রি করতে না পারলে চোরাই গরু-ছাগলগুলো জবাই করে মাংস বিক্রি করতেন। এটিই তাদের পেশা
.png)
এলাকাবাসী জানান, শনিবার সকালে তেঁতুলিয়া গ্রামের জাকির হোসেন ও তার ছেলে সবুর ওরফে সবুজ ভটভটিতে গরু নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে বের হয়। কোলা ঝাপড়িতলা মোড়ে ভটভটি থামায়। হলুদ বিহার গ্রামের এক পুত্রবধূ ভটভটিতে দেখতে পায় ২০-২৫ দিন আগে তাদের চুরি যাওয়া গরু। ঐ পুত্রবধূ তাদের গরু দাবি করে গরু চোর জাকিরের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হলে আসেপাশের লোক জন গরুটি শনাক্তের জন্য আটকে দেয়।
গরুর মালিক হলুদ বিহার গ্রামের গোলাম মোস্তফা ঘটনাস্থলে গিয়ে চিনতে পারে তার গরু। এ সময় চোর জাকির বিপদে পড়ার আশঙ্কায় তার বাড়িতে ফোন দিয়ে অন্যান্য গরুগুলো লুকিয়ে ফেলতে বলে। সঙ্গে সঙ্গে জাকিরের বাড়ি ঘর ঘিরে ফেলে গ্রামবাসী। খবর পেয়ে থানা পুলিশ জাকিরের বাড়িঘর সহ আশেপাশে আরো কয়েকটি বাড়ি তল্লাশি করে ১৪টি গরুসহ একটি খাসি উদ্ধার করে। তাদের বাড়ি থেকে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
আক্কেলপুর হাস্তা পাড়ার মুমিনুল জানান, গত মঙ্গলবার রাতে চুরি যাওয়া গাভি বের হয়েছে। উপজেলার মহেশপুর গ্রামের আসলাম জানান, একই রাতে তাদের দুটি গরুসহ খাসি চুরি হয়েছে। তার মধ্যে একটি গরু ও খাসি উদ্ধার হয়েছে।
ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, উদ্ধারকৃত সব গরু বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। গরু চুরিসহ অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ. টি. এম মাইনুল ইসলাম থানায় আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।