দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নোয়াখালী আঞ্চলিক সমন্বিত কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
রায়ের সময় আসামি নুর মোহাম্মদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দুদক সূত্র জানায়, নুর মোহাম্মদ ইসলামী ব্যাংকের রায়পুর শাখার এসবিআইএস সুপাভাইজার হিসেবে কর্মরত থেকে ১৮৬ জন গ্রাহকের নামে ভুয়া বিনিয়োগ ঋণ দেখিয়ে ৮ কোটি ৯৭ লাখ ১ হাজার ২১৯ টাকা উত্তোলন করে। তিনি এ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে ব্যাংকের অডিট টিম সত্যতা পায়। কোনো গ্রাহক ঋণ গ্রহণ না করলেও তিনি ভুয়া ও জাল ভাউচার তৈরি করে ব্যাংক থেকে ঋণ অনুমোদন করে নিজেই আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর দুদক তাকে আটক করে। পরে ব্যাংকের তখনকার ব্যবস্থাপক তার বিরুদ্ধে রায়পুর থানায় অর্থ আত্মসাতের মামলা করেন। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তখন তাকে আদালতের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর কারাগারে পাঠানো হয়।
.png)
এদিকে, ব্যাংকের এক গ্রাহক মিজানুর রহমান ছিদ্দিক ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় লক্ষ্মীপুর স্পেশাল জজ আদালতে নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটির অভিযোগ নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতে প্রমাণিত হয়। এতে আদালত তাকে ২৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২২ লাখ টাকা জরিমানা করেন।