সোমবার (২৮ মার্চ) চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত রিয়াজ একই ইউনিয়নের বিষবাগ গ্রামের বাসিন্দা।
চেয়ারম্যান মাহফুজ আলম বলেন, রিয়াজ এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। রোববার (২৭ মার্চ) দুপুরে সে মুন্সিরহাট বাজারে এক নারীকে লাঞ্ছিত করে। এ সময় ঐ নারী ইউপি কার্যালয়ে আমার কাছে নালিশ করে। আমি রিয়াজের বাবা জাফর আহমেদকে ডেকে এনে রিয়াজকে শাসানোর জন্য বলি। এতে সে ক্ষুব্ধ হয়ে দুপুর বেলায় ইউপি কার্যালয়ে এসে ভাঙচুর চালায়।
.png)
তিনি বলেন, ওই সময় আমি কার্যালয়ে ছিলাম না। খবর পেয়ে কার্যালয়ে ছুটে গেলে সে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
চেয়ারম্যান মাহফুজ আলম আরো বলেন, পরবর্তীকালে সোমবার ভোর রাতে রিয়াজ ও অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন ব্যক্তি আমার বাড়ির ভেতরে ঢুকলে স্থানীয়রা তাকে (রিয়াজ) আটক করে। এসময় সে পিস্তল বের করে আমাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অস্ত্রসহ রিয়াজকে আটক করে।
চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রিয়াজের কাছ থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ও একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগে রিয়াজকে প্রধান আসামি ও অজ্ঞাতনামা আরো ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।