ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

মাহেন্দ্র চালক হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৫৮, ২৯ মার্চ ২০২২
মাহেন্দ্র চালক হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড
ফাইল ছবি

খুলনায় মাহেন্দ্র চালক শেখ ও‌হিদুর রহমান রিপন হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম আশিকুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন।

দণ্ডিতরা হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার ইলচ্চা বাজার সা‌দির চর গ্রামের ইব্রাহিম খলিলুল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ নূর ইসলাম, একই গ্রামের হরিদাসের ছেলে জনি দাস, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার ফল সমস্যা বাজার এলাকার আব্দুর রউফ সিকদারের ছেলে মো. রনি শিকদার ও খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার আইয়ুব আলী মোল্লার ছেলে মোহাম্মদ মাসুদ রানা মোল্লা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহমেদ জানান, ও‌হিদুর রহমান রিপন একজন মাহেন্দ্র চালক ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলার লাবশা এলাকার শেখ তৌ‌হিদুর রহমা‌নের ছে‌লে। ২০১৬ সা‌লের ১১ জানুয়া‌রি সকা‌লে গাড়ি চালা‌নোর উ‌দ্দে‌শ্যে বা‌ড়ি থে‌কে বের হন তিনি। রা‌তে বা‌ড়ি না ফিরলে প‌রিবারের মানুষ চি‌ন্তিত হ‌য়ে প‌ড়েন।

প‌রদিন লবণচরা থানায় একজন ডাক্তারের ক্ষেতে একজনের লাশ পাওয়া গেছে বলে জানতে পারেন নিহতের ছোট ভাই। পরে খুলনায় গিয়ে তিনি লাশ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জের কা‌শিয়া‌নী থে‌কে মাহেন্দ্রসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। প‌রদিন তি‌নি লবণচরা থানায় চারজ‌নের নামে মামলা ক‌রেন।

ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৬টার দি‌কে প‌রিকল্পনা অনুযা‌য়ী ৭০০ টাকা চু‌ক্তি‌তে মাহেন্দ্র ভাড়া নেন আসা‌মিরা। রাত ৯টার দি‌কে নগরীর লবণচরা থানার ডা. দিপু সা‌হে‌বের জ‌মির কাছে পৌঁছা‌লে র‌শি দি‌য়ে রিপনকে শ্বাস‌রোধ করার চেষ্টা ক‌রেন মাসুদ ও র‌নি। শ্বাস‌রো‌ধে তার মৃত্যু না হ‌লে ছু‌রি দি‌য়ে আঘাত কর‌তে থাকেন নূর ইসলাম। মৃত্যু নি‌শ্চিত ক‌রে আসা‌মিরা লাশ ফে‌লে মা‌হেন্দ্র নি‌য়ে পা‌লি‌য়ে যান।

পরে কা‌শিয়া‌নী পু‌লি‌শের চেক‌পো‌স্টে গি‌য়ে তারা আটক হন। একপর্যা‌য়ে তারা হত্যাকা‌ণ্ডের কথা পু‌লি‌শের কাছে স্বীকার ক‌রেন। একই বছ‌রের ৩১ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে আদাল‌তে অ‌ভি‌যোগপত্র দা‌খিল ক‌রেন মামালার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পু‌লিশ প‌রিদর্শক মীর আতাহার আলী। মামলায় ১৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!