মঙ্গলবার তাদের বাগেরহাটের চিতলমারী থেকে গ্রফতার করা হয়। ধর্ষণ মামলায় এ দু’জনকে নিয়ে মোট পাঁচজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
র্যাব-৬ এর পরিচালক লে. কর্নেল মুহাম্মদ মোশতাক আহমদ বলেন, ১৮ মার্চ রাতে খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমনি এলাকার তেঁতুলতলা রেলক্রসিংয়ের পাশে কামরুলের গ্যারেজের সামনে দিয়ে ভিকটিম ও তার স্বামী সিএনসিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় পাঁচজন তাদের গতিরোধ করে। পরে দম্পতিকে ঐ গ্যারেজের মধ্যে নিয়ে স্বামীর হাত বেঁধে স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ঐ নারী চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করে। ঐ দিন রাতে গ্যারেজের মালিক কামরুলকে খানজাহান আলী থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।
.png)
ঘটনাটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় আলোচনায় আসে বিষয়টি। এরপর র্যাব ছায়া তদন্ত ও অভিযান পরিচালনা করে।
সোমবার এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সাগর ও শাকিল নামে দুজনকে আফিস গেটের সামনে থেকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। ঐ দিন রাতে তারা গ্যারেজ পাহারার দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাদেরও এ মামলায় আটক দেখানো হয়েছে।
সুমন ও আলামিন মল্লিক ঘটনার পর গা ঢাকা দেয়। আত্মগোপন করে তারা বাগেরহাটে অবস্থান করে। পরে সাগর ও শাকিলের স্বীকারোক্তিতে তাদের বাগেরহাটের চিতলমারী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারা শিরোমনি এলাকার বখাটে যুবক। তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। এ মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামি জীবন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।