জেলে থেকে বের হতে ঋণ, সেই টাকা পরিশোধ করতে আবার ডাকাতি
ডাকাতি করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়ে যেতে হয় জেলে। তারপর মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে নিতে হয় মামলার জামিন। সেই টাকা পরিশোধ করতে আবারো সহযোগী সংগ্রহ করে শুরু করে ডাকাতি। এমন তথ্যসব দিয়েছে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও হত্যাসহ ৯টি মামলার আসামি ইয়াকুব আলী।
মাত্র ১৫ দিন আগে জামিনে বের হয়ে সোমবার ভোরে নরসিংদী শহরের আরশীনগর লেভেলক্রসিং এলাকায় ডাকাতি করার পূর্ব মুহূর্তে ডিবি পুলিশের হাতে আবারো আটক হয় ইয়াকুব ও তার তিন সহযোগী।
আটককৃতরা হলো, নরসিংদীর পলাশ উপজেলার মৃত মোতালিব মিয়ার ছেলে ইয়াকুব, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার উত্তর হাসা এলাকার হেদু মিয়ার ছেলে শাহজাহান, ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার রুহি পাগারিয়া এলাকার শাহিন মিয়ার ছেলে সোহাগ ও ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার দক্ষিণ আড়ালিয়া গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে আরিফ।
.png)
জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার বলেন, রাতে টহল ডিউটির সময় সন্দেহজনক একটি পিকআপ আটক করা হয়। এ সময় পিকআপে তল্লাশি করে ডাকাতির সরঞ্জাম হিসেবে তালা কাটার মেশিন, চাপাতি ও লোহার রডসহ চারজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ইয়াকুব নামে একজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও হত্যাসহ ৯টি মামলা রয়েছে। সে জামিনে বের হয়ে বারবার ডাকাতি করে থাকে।
জানা যায়, গ্রেফতারের পর আদালতের খরচ, পারিবারিক খরচ ও জামিনের জন্য প্রায় ৪ লাখ টাকার মতো ঋণ করতে হয় ইয়াকুবকে। সেই টাকা পরিশোধের জন্যই জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে পুনরায় সদস্য সংগ্রহ করে ডাকাতি শুরু করে ইয়াকুব। ১৫ দিন আগে ডাকাতি মামলার জামিন নিতে আইনজীবীকে লক্ষাধিক টাকার উপরে খরচ দিতে হয়েছে। সেই টাকা পেরিশোধের জন্য বারবার ডাকাতিতে লিপ্ত হয় সে। এ ঘটনায় নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামলা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।