ভাগ্নের চাপাতির কোপে প্রাণ গেল মামার
বগুড়ার আদমদীঘিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাগ্নের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন মামা।
শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আদমদীঘি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হযরত আলী। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে তিনি মারা যান।
নিহতের নাম আবুল কালাম আজাদ। ৫০ বছর বয়সী আজাদ আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের উথরাইল জাহানাবাজ গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। তিনি সান্তাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ছিলেন।
.png)
অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন সাদ্দাম একই গ্রামের বাসিন্দা। সাদ্দাম ও সম্পর্কে আপন মামা-ভাগ্নে। ১ এপ্রিল নিজ গ্রামেই আজাদকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। তিনি সাতদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
জানা গেছে, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আজাদের সঙ্গে ভাগ্নে সাদ্দামের বিরোধ চলছিল। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা মীমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান মেলেনি। সর্বশেষ ১ এপ্রিল সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে মাপযোগ করছিলেন সাদ্দাম। ওই সময় আজাদকে উপস্থিত থাকতে বলেছিলেন তিনি। কিন্তু সাদ্দামের কথা না শুনে সেখানে উপস্থিত হননি আজাদ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চাপাতি নিয়ে মামাকে এলোপাতাড়ি কোপান সাদ্দাম। পরে স্বজনরা আজাদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন।
পরবর্তীতে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে আজাদের অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এসআই হযরত আলী জানান, ঘটনার দিন রাতে মামলা করেন আজাদের ভাই আব্দুস সালাম। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন সাদ্দাম। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।