জেলে জয়নাল আবেদীন বলেন, নদীতে জাল ফেলার দুই ঘণ্টা পর দুই সহযোগী মিলে জাল টেনে নৌকায় তুলছিলাম। এ সময় জালটি ভারী মনে হলে নদীতে নেমে নৌকায় জাল তুলতে সহায়তা করেন একজন। পরে দেখি জালে একটি বড় কোরাল আটকা পড়েছে। এরপর মাছটি সোনাগাজী পৌর শহরের মাছের বাজারে তুললে ২০ হাজার টাকায় কিনে নেন ভাই ভাই ফিশিং আড়তের মালিক মো. নিশান।
মাছ ব্যবসায়ী নিশান বলেন, জেলে জয়নালের কাছ থেকে ২০ কেজি ওজনের কোরাল মাছটি এক হাজার টাকা দরে ২০ হাজার টাকায় তিনে নেই। পরে বিক্রির জন্য রাতেই বাজারে এনে মাছটির ঝুড়িতে রাখি। অনেকেই মাছটি দেখে গেলেও দাম কম বলায় বিক্রি না করে ফ্রিজে রেখে দেই। রোববার দুপুরে জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির কাছে ১১০০ টাকা কেজি দরে ২২ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করি।
.png)
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তূর্য সাহা বলেন, কোরাল দ্রুত বর্ধনশীল মাছ। পরিবেশ ভালো পেলে মাছটি সাধারণত ৩০-৩৫ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। কোনো কোনো সময় এর বেশি ওজনের কোরালও পাওয়া যায়। এ মাছ খুবই সুস্বাদু। তাই জেলেরা দামও ভালো পেয়ে থাকেন। প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় নদীতে এমন বড় কোরাল পাওয়া গেছে।