ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মনোরঞ্জন ধর এই তথ্য জানান। কারাদণ্ড পাওয়া ব্যক্তির নাম রাকিবুল হাসান।
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মনোরঞ্জন ধর বলেন, সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত আজ রায় দেন। মামলার আরেক আসামি শিশু। শিশু আদালতে তার বিচার চলছে। রায় ঘোষণার আগে রাকিবুলকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
.png)
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে রাকিবুলসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে উদ্ধার হয় ১০টি গ্রেনেড ও ২টি সুইসাইডাল ভেস্ট (আত্মঘাতী বন্ধনী)।
মামলায় বলা হয়, নব্য জেএমবির সদস্য রাকিবুল ও তার সহযোগী (শিশু) গ্রেফতার হওয়ার দুই মাস আগে চট্টগ্রামে আসেন। তারা সদরঘাট থানা ভবনে হামলার পরিকল্পনা করেন। তাদের কাছ থেকে কাগজে আঁকা দুটি ছক উদ্ধার করা হয়। পুলিশের মনোবল ভাঙতে নব্য জেএমবি হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে থানাকে বেছে নেয়। এই ঘটনায় সদরঘাট থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) তৎকালীন পরিদর্শক রাজেস বড়ুয়া।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, গ্রেফতার দুই ব্যক্তি নব্য জেএমবির সদস্য। তারা জামালপুর ও শেরপুরে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নেয়ার কথা স্বীকার করেন। অ্যাপসের মাধ্যমে তারা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। পরিবারের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ ছিল না। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশের ওপর হামলার লক্ষ্য ছিল তাদের। আত্মঘাতী হামলার জন্য তারা প্রস্তুত ছিলেন।