রোববার ভোরে নগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার।
গ্রেফতার মো. নূর মোস্তফা শিমুল সীতাকুণ্ড উপজেলার পূর্ব সৈয়দপুর এলাকার আবুল মুনসুর ওরফে জন মিয়ার ছেলে।
.png)
র্যাব জানায়, ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিকেলে সীতাকুণ্ড পৌর সদরের চার নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি দাঊদ সম্রাটকে হত্যার উদ্দেশ্যে চোরা ও কিরিচ দিয়ে নৃশংসভাবে বুক, পেট এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাথাড়িভাবে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুস্কৃতিকারীরা। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলা করেন নিহতের মা।
ঘটনার পর থেকে জড়িতদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে র্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ এপ্রিল দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের গ্রেফতারের পর জড়িত বাকিদের গ্রেফতারে তৎপরতা অব্যাহত রাখে র্যাব। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার ভোরে নগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকা থেকে মামলার আরেক আসামি মো. নূর মোস্তফা শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তা নুরুল আবছার বলেন, গ্রেফতারের পর ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন শিমুল। এছাড়া তিনি ফেনী-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সংঘটিত ডাকাতি কার্যক্রমের মূলহোতা হিসেবে কাজ করছেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানান। বেশিরভাগ সময় ডাকাতির কার্যক্রম সংঘটিত করে গা ঢাকা দিতে চট্টগ্রাম শহরে এসে ট্রাক কিংবা লরি চালান এবং নির্দিষ্ট সময় পর ফের ডাকাতিতে জড়ান। তার বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে একই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।