তারা বলছেন, এবারের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। টিকিট কাটতে যেমন আলাদা আলাদা কাউন্টার ও নারীদের জন্য সংরক্ষিত কাউন্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তেমনি বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণ ঠেকাতেও নেয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। লাইনে দাঁড়িয়ে স্টেশনের প্রবেশপথে আসার পর টিকিট প্রদর্শন করলেই প্ল্যাটফর্মের ভেতরে ঢুকতে পারছেন যাত্রীরা।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের ম্যানেজার রতন কুমার চৌধুরী জানান, সকাল ৭টায় সুবর্ণ এক্সপ্রেস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে এবারের ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। এরপর যথাক্রমে ৭টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রুটের বিজয় এক্সপ্রেস, ৭টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটের সাগরিকা এক্সপ্রেস, সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের চট্টলা এক্সপ্রেস, ৯টায় চট্টগ্রাম-সিলেট রুটের পাহাড়িকা এক্সপ্রেস, ১০টায় চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, সাড়ে ১২টায় একই রুটের মহানগর এক্সপ্রেস ও ৩টায় মহানগর গৌধূলী ও সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রুটের ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম ছেড়ে যায়।
.png)
একইভাবে অন্যান্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে চট্টগ্রাম ছাড়ার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রথম দিন চট্টগ্রাম থেকে ১০টি আন্তঃনগর ও চারটি মেইল ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এসব ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট ছাড়া ১০ হাজারের বেশি যাত্রী গন্তব্যে পৌঁছাবেন।
২৩ এপ্রিল থেকে শুরু হয় ঈদের আগাম টিকিট বিক্রি। টিকিট কিনতে প্রতিদিনই রেলস্টেশনে ভিড় করছেন যাত্রীরা। মোট টিকিটের ৫০ শতাংশ কাউন্টারে ও বাকি ৫০ শতাংশ অনলাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে।
১ মে থেকে শুরু হবে ফিরতি টিকিট বিক্রি। সেদিন ৫ মে’র টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন যাত্রীরা। একইভাবে ২ তারিখে ৬ তারিখের, ৩ তারিখে ৭ তারিখের ও ৪ তারিখে ৮ তারিখের টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। তবে ২, ৩ ও ৪ মে’র টিকিট বিক্রি হবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে।
এদিকে, ঈদযাত্রায় বাড়তি মানুষের চাপ সামাল দিতে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে অতিরিক্ত কোচ যুক্ত করছে রেলওয়ে। এজন্য নগরীর পাহাড়তলী কারখানায় ৫০টি কোচ মেরামত করা হয়েছে। এছাড়া চালু করা হচ্ছে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন। ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটের বিশেষ দুটি ট্রেনের একটি চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে।