পরে রাত ৯টার দিকে অভিযুক্ত তাহেরকে ফান্দাউক বাজারে আঁখি লাইব্রেরি থেকে আটক করে পুলিশ। সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিকে অভিযুক্ত তাহের মিয়ার সঙ্গে থানায় গিয়ে কথা হলে তিনি বলেন, মেয়েটি সবসময় আমার দোকানে আসত। আমি তার সঙ্গে খারাপ কিছু করিনি। তাহের উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের জয়নাল আবেদিনের ছেলে। তিনি ফান্দাউক বাজারে আঁখি লাইব্রেরির মালিক।
.png)
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তাহের দীর্ঘদিন ধরে ফান্দাউক বাজারে লাইব্রেরির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ভুক্তভোগী শিশুটিকে প্রায়ই তার লাইব্রেরির পেছনে নিয়ে যৌন নির্যাতনের করতেন। ঘটনার দিন বিকেলে শিশুটি কলম কেনার জন্য তাহেরের দোকানে যায়। সে সময় তাহের শিশুটিকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে তার দোকানের পেছনে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন। পরে জয়ন্ত মালাকার নামে একজন পথচারী শিশুটিকে তাহেরের ঘরের টেবিলের নিচ থেকে বের হতে দেখেন। শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি গিয়ে তার মাকে বিষয়টি জানায়। তখন তার বাবা স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে নাসিরনগর থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করে তাহেরকে আটক করা হয়।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লা সরকার বলেন, শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা হয়েছে। একমাত্র অভিযুক্ত তাহের মিয়াকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।