ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

পানির ট্যাংকে ফেলে শিশু হত্যা: ৩ জনের ফাঁসি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:৩৭, ১৮ মে ২০২২
পানির ট্যাংকে ফেলে শিশু হত্যা: ৩ জনের ফাঁসি
দণ্ডিত তিন আসামি (ইনসেটে নিহত আরাফ)

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় পানির ট্যাংকে ফেলে শিশু আব্দুর রহমান আরাফ হত্যা মামলায় তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত।

বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের এপিপি প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হত্যার পরিকল্পনাকারী মো. ফরিদ, দারোয়ান মো. হাসান ও তার মা নাজমা বেগম।

Advertisement

এপিপি প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, শিশু আরাফ হত্যা মামলায় ২০২১ সালের ১০ মার্চ আদালতে চার্জ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ২০ জন ও আসামিপক্ষে ১০ জন সাফাই সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, প্রথম দফায় ৩০ মার্চ ও দ্বিতীয় দফায় ২৮ এপ্রিল মামলাটির রায় ঘোষণার কথা থাকলেও পরে তা পিছিয়ে ১৮ মে দিন ধার্য করে আদালত।

২০২০ সালের ৭ জুন বাকলিয়া থানার মিয়াখান নগরের মনসুর আলী রোডের নুরুল আলম মিয়ার বাড়ির ছাদের পানির ট্যাংক থেকে শিশু আরাফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আরাফ ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে।

বাড়ির মালিক ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়ার সঙ্গে পূর্ব বিরোধ ছিল ফরিদের। সেই বিরোধের জেরে নুরুল আলম মিয়াকে ফাঁসাতে নাজমা বেগমকে বেছে নেন ফরিদ। অর্থের বিনিময়ে শিশু আরাফকে হত্যার প্রস্তাব দেন। ঋণগ্রস্ত নাজমা বেগমও পারেননি অর্থের লোভ সামলাতে। হত্যা করেন শিশুটিকে।

ঘটনার দিন বিকেলে বাড়ির নিচতলায় খেলছিল শিশু আরাফ। নাজমার ছেলে হাসান ওই বাড়ির দারোয়ান। তার কাছ থেকে চাবি নিয়ে আরাফকে ছাদের পানির ট্যাংকে ফেলে হত্যা করেন নাজমা বেগম।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!