শনিবার দুপুরে ঐ গ্রামের ৭নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত জাহিদা সুলতানা ঐ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ভুক্তভোগী ইব্রাহিম হোসেন একই গ্রামের মিরাজ হোসেনের ছেলে।
ইব্রাহিমের মা জলি খাতুন বলেন, ময়লা ফেলার ঝুড়ি নিয়ে জাহিদা সুলতানা ম্যাডাম আমার ছেলেকে বিনা কারণে বেত্রাঘাত করেছেন। আমার ছেলের শরীর ক্ষত-বিক্ষত করেছেন। ম্যাডামের ভাতিজি জাইয়ান রিফা একই স্কুলের ছাত্রী। সে ময়লার ঝুড়ি চাইলে বাকি ছাত্ররা দেয়নি। পরে সে তার চাচি জাহিদা সুলতানাকে বিষয়টি জানায়। এরপরই তিনি বেত দিয়ে আমার ছেলেসহ বাকি ছাত্রদের পেটাতে থাকেন।
.png)
নির্যাতনের শিকার ইব্রাহিম বলে, আমরা বন্ধুরা ময়লা ফেলার ঝুড়ি নিয়ে একে অপরের সঙ্গে খুনসুটি করছিলাম। ঐ সময় হঠাৎ জাহিদা সুলতানা ম্যাডাম আমাদের বেত দিয়ে পেটাতে শুরু করেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক জাহিদা সুলতানা বলেন, ছেলেমেয়েরা চিৎকার-চেঁচামেচি ও বিশৃঙ্খলা করলে তাদের থামাতে ও পরিবেশ শান্ত রাখতে কিছু শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে আঘাত করি। কিন্তু বিষয়টি এ রকম গুরুতর হবে বুঝতে পারিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কাজী ফরহানা বলেন, বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। আমি আহত ছাত্রের বাসায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। শিক্ষার্থীদের বেত্রাঘাত আইন বহির্ভূত। এ ঘটনায় আমরা অনুতপ্ত।
জানা গেছে, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাসহ জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীর বাবা মিরাজ হোসেন।
জেলা শিক্ষা অফিসার কুমারেশ চন্দ্র গাছি বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।