তবে এরপর থেকেই বেরিয়ে আসতে শুরু করে নাহিদের ভিন্ন রুপ। মেয়েটির মুখে বিয়ের কথা উঠলেই শুরু হয় নাহিদের তালবাহান। অবশেষে বাধ্য হয়ে মেয়েটি করেন থানায় ধর্ষণ মামলা। সেই মামলায় নাহিদ এখন কারাগারে।
ঘটনাটি বগুড়ার শেরপুর উপজেলার। বুধবার দুপুরে প্রেমিকার করা ধর্ষণ মামলায় নাহিদকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করা হয়। মামলাটি করেন ধর্ষণের শিকার ২২ বছরের মেয়েটি নিজেই।
.png)
২৪ বছরের নাহিদ হাসান ওই উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ভাদাইসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। মামলার পর মঙ্গলবার রাত ১০ টার দিকে নিজ গ্রাম থেকেই নাহিদকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সনাতন চন্দ্র সরকার।
জানা গেছে, বিয়ের প্রলোভনে গত ৫ এপ্রিল মেয়েটিকে নিয়ে নিজ বাড়িতে যান নাহিদ। সেখানে তাকে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। এই দু’দিন নাহিদেও বাড়িতে কেউ ছিলেন না। এ সুযোগে নাহিদ তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ের প্রসঙ্গ আসলেই বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে তালবাহানা শুরু করেন নাহিদ। এক পর্যায়ে নাহিদের প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় মেয়েটি ধর্ষণ মামলা করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চন্দ্র সরকার জানান, নাহিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক মেয়ে। মেয়েটির অভিযোগ বিয়ের প্রলোভনে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। মামলার পর অভিযান চালিয়ে নাহিদকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।