বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করতে কাজ করছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) কর্তৃপক্ষ। আজ বিকেল ৩টার মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক হতে শুরু করবে বলে জানা গেছে।
এর আগে, শনিবার ভোররাত ৩টা ৫৫ মিনিট থেকে বগুড়ায় শুরু হয় তীব্র ঝড়। প্রায় ৯ মিনিট চলে ঝড়ের তাণ্ডব। এরপরে ঘণ্টাব্যাপী ভারি বৃষ্টিপাত হয়। এরমধ্যে ভোর ৪টা থেকে ৪টা ৪ মিনিটে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ৮৮ দশমিক ৬ কিলোমিটার। যা এই মৌসুমের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ বলে জানিয়েছেন বগুড়া আবহওয়া অধিদফতরের পর্যবেক্ষক সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া।
.png)
এছাড়াও শনিবার ভোরে শুরু হওয়া ঝড়ে ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বগুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত রেকর্ড হয়েছে। আজ দিনেও থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছেন সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া।
ঝড়ে শহরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে গেছে। এছাড়াও বেশ কিছু স্থানে বিদ্যুতের খুঁটিসহ তারের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে। এতে বিভিন্ন এলাকায় তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বগুড়ার বিভিন্ন গ্রামের বাড়ি-ঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ফসলি জমি।
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) বগুড়া-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল মোন্নাফ জানান, বৈদ্যুতিক সংযোগ স্বাভাবিক করতে কাজ করা হচ্ছে। ঝড়ে গাছ উপড়ে বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে। সেগুলো সরানো হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে বিকেলের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।