সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বেড়েছে। ফলে চারটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে দিনের তাপমাত্রাও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে।
শনিবার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
.png)
আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, মার্তবান উপসাগর ও তৎসংলগ্ন মায়ানমারে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে প্রথমে সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং পরবর্তীতে নিম্নচাপে পরিণত হয়। এরপর এটি দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে বর্তমানে থাইল্যান্ড এবং তৎসংলগ্ন মিয়ানমার এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে আগামীকাল রোববার সকাল পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলী চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে যশোর ও সাতক্ষীরা জেলা সমূহের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রী সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
শনিবার বেলা ১১টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ডিমলায়, ৬৫ মিলিমিটার। ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪২ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে, ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।