শুক্রবার বিকেলে ঐ উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের পূর্বপাড়া ডোবারপাড় কবরস্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত মতিউর রহমান একই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পাশের মরিচখালী বাজারের একটি হোটেলে কাজ করতেন।
.png)
করিমগঞ্জ থানার ওসি শামসুল আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের পরিবারের বরাতে তিনি বলেন, মতিউর দুটি বিয়ে করেছেন। সাত বছর আগে তার প্রথম স্ত্রী মারা যান। এই সংসারে চারটি সন্তান রয়েছে। গত ২০ মে গুণধর ইউনিয়নের গাংগাটিয়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তিনি থাকতেন শ্বশুরবাড়িতে। মঙ্গলবার রাত আড়াইটায় দিকে তার মুঠোফোনে কল করেন হোটেল মালিক হারেছ মিয়া। সেই ফোনে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি।
ওসি আরো বলেন, তার মোবাইল খোলা ছিল। অনেকবার ফোন করার পরও কেউ রিসিভ করেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। শুক্রবার দুপুরে নরসুন্দা নদীর তীরে ডোবারপাড় কবরস্থানে তার খণ্ডিত লাশ পড়ে থাকতে দেখে বাড়িতে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরিবারের সদস্যরা এসে লাশ শনাক্ত করেন।
তিনি বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের কোমর থেকে নিচের অংশ পাওয়া যায়নি। লাশের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।