নিহত তরুণী কিশোরগঞ্জ সদর থানার রশিদাবাদ গ্রামের রফিক মিয়ার মেয়ে। তিনি ফতুল্লার ভুইগড়স্থ খন্দকার বাড়ির ভাড়ায় বসবাস করে ভুইগড়স্থ এস বি গার্মেন্টেসে চাকরি করতেন বলে জানা যায়।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক ইমানুর জানান, মেয়েটি তার বোন ও বোন জামাইয়ের সঙ্গে এস বি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। তার বোন সন্তান সম্ভবা হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। তাই তিনি গত এক সপ্তাহ আগে বর্তমান ঠিকানার বাসায় ভাড়ায় আসেন। এখানে তিনি একাই বসবাস করতেন।
শনিবার সকালে গার্মেন্টসে না যাওয়ায় গার্মেন্টসের এক সহকর্মী তাকে বাসায় ডাকতে আসে। দরজা ভেতর থেকে লাগানো ছিলো। দরজায় ডাকাডাকি করে কোনো সারাশব্দ না পেয়ে বাড়ির কেয়ারটেকারকে বিষয়টি অবগত করে তাকে নিয়ে এসে পুনরায় ডাকাডাকি করে। এক পর্যায়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পায় ঘরের লোহার তৈরি আড়ার সঙ্গে গলায় কাপড়ের দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মরদেহ। খবর পেয়ে বেলা ১১ টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠায়।
.png)