পৌরসভার বারইখালী গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাম্মেল হোসেন ফকিরের বসত ঘর গাছ চাপা পড়ে তছনছ হয়েছে। নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে গাছ পড়ে ২৫টি বসতঘর ভেঙে চুরমার হয়েছে বলে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু জানিয়েছেন।

.png)
ঝড়ে গাছ উপড়ে সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কের ক্ষতি হয়েছে। উত্তর ফুলহাতা ও ঘষিয়াখালী এলাকায় ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের ৩টি খাম্বা ভেঙে পড়েছে। এ ছাড়া হোগলাপাশা ও চিংড়াখালী ইউনিয়নে কয়েক হাজার কলাগাছ ভেঙে কলা চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জিউধরার উত্তর ডেউয়াতলা, সোনাতলা গ্রামের তিনটি বসতবাড়ি গাছ পড়ে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। মৎস্য ঘেরের ২০-২৫টি গৈ ঘর উড়িয়ে নিয়ে গেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোর চেয়ারম্যানদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ক্ষতির তালিকা করে জমা দেওয়ার জন্য।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করতে আরো সময় লাগবে।