তারা হলো ওই গ্রামের আলী মোল্লার মেয়ে লাবণী আক্তার (১৫) ও নাবিলা আক্তার (৪)।
স্বজনরা জানান, বসতঘর থেকে পাশের রান্নাঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছিলেন আলী মোল্লা। রান্নাঘরের বেড়া টিন দিয়ে তৈরি। চালও টিনের। তারের কোথাও লিক থাকায় টিনের বেড়া আগে থেকেই বিদ্যুতায়িত ছিল। সকালের নাস্তা খাওয়ার সময় টিনের বেড়ার সঙ্গে হেলান দিয়ে বসলে দুই বোনই বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।
.png)
মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে দুপুরে ঘটনাস্থলে যান মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নুরুন্নবী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ভুলু ও পল্লী বিদ্যুতের এজিএম জিয়াউর রহমান ।
ইউএনও মো. নুরুন্নবী বলেন, খুব নিম্নমানের তার দিয়ে রান্নাঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। কোনো ইলেক্ট্রিশিয়ানকে দিয়ে ওই সংযোগ নেওয়া হয়নি। বাড়ির লোকজন নিজেরাই এ কাজটি করেছেন। তারের লিক থেকেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
তিনি আরো জানান, শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি মরদেহ দুটি দাফনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা করা হয়েছে।