শুক্রবার সকালে উপজেলার গোড়না এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হায়দার আলী উপজেলার বিনশিরা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব জানান, ওই স্কুলছাত্রীর বাবার সঙ্গে হায়দার আলীর বন্ধুত্ব ছিল। এ সুবাদে তাদের বাড়িতে নিয়মিত তার যাতায়াত ছিল। ১ জুন রাতে বাড়িতে ছিলেন ওই মেয়ে ও তার বাবা। এ সময় কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে দুজনকে খাইয়ে দেন হায়দার আলী। কিছুক্ষণ পর তারা অচেতন হয়ে পড়লে স্কুলছাত্রীকে অন্য রুমে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান তিনি।
.png)
ওসি আরো জানান, সকালে স্থানীয়রা বাবা-মেয়েকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা। পরে হায়দার আলীকে গ্রেফতার করা হয়।