মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের বিল পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। শিশু জান্নাতুল ফেরদৌস একই গ্রামের রিয়াজুল ইসলামের মেয়ে।
শিশু জান্নাতুলের মা শিলা খাতুন জানান, সকালে চাচাতো ভাই কাউসারের সঙ্গে ঘরে মধ্যে খেলছিল জান্নাতুল। এক পর্যায়ে খেলতে খেলতে দুজনেই খাটের নিচে চলে যায়। এ সময় খাটের নিচে থাকা একটি সাপের বাচ্চাকে হাত দিয়ে ধরে দুই জায়গায় কামড় দেয় জান্নাতুল। পরে সাপের বাচ্চাসহ খাটের নিচ থেকে বাইরে বের হয়ে আসে শিশু জান্নাতুল। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাপের বাচ্চাটি মারা গেছে। সেটি চিকিৎসকে দেখানো হয়েছে।
.png)
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পরিবেশবিদ বখতিয়ার হামিদ বলেন, মারা যাওয়া সাপটির নাম ‘ঘরগিন্নি’ (কমন উলফ স্নেক)। এটি সম্পূর্ণ বিষহীন সাপ। সাধারণত টিকটিকি খাওয়ার জন্য এই সাপ ঘরে ঢোকে।
সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুবুর রহমান মিলন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিশু জান্নাতুলকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা গেলে বোঝা যাবে। তবে, তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
নোট: ওই শিশুর মা শুরুতেই এটিকে বিষধর গোখরা সাপের বাচ্চা হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপরই বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়। পরবর্তীতে ফ্যাক্টওয়াচের প্রতিবেদনের পর আমরা সংবাদ সংশোধন করেছি।