জানা গেছে, বাড়িতে থাকা পাটখড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেই আগুন মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পরেরে। পাংশা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এর আগেই ঘরের মালামাল পুড়ে যায়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
গৃহকর্তা লিটন কুমার কুণ্ডু জানান, প্রতিদিনের মতো রাত ১১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। হঠাৎ আগুনের আঁচে ঘুম ভেঙে যায় তাদের। এরপর ঘরের ভেতর থেকে বিদ্যুতের সংযোগ বন্ধ করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু দরজা খুলতে না পেরে জানালা ভেঙে বের হন। ঐ সময় তারা দেখতে পান ঘরের পাঁচটি দরজা ও মেইন গেট বাইরে থেকে বন্ধ।। পরে দরজা খুলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে পাটখড়ির ঘরে লাগা আগুন নেভাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
.png)
তিনি আরো জানান, কেউ সপরিবারে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে রাসয়নিক পদার্থ দিয়ে আগুন লাগাতে পারে। অগ্নিকাণ্ডে তাদের সব পুড়ে গেছে।
পাংশা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রয়েল আহম্মেদ জানান, প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কোনো রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে অগ্নিসংযোগের আলামত পাওয়া যায়নি।
পাংশা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।